ভিতরে আসতে বাধা

Posted by - December 20, 2019

এক কাফের ব্যক্তির একজন মুসলমান দাস ছিল। দাস তার নিজ ধর্মে ছিল অত্যন্ত দৃঢ় ও প্রত্যয়শীল। কাফের লোকটি তাকে ধর্মের কাজে কোনরূপ বাধা প্রদান করতো না। একদিন মনিব তার গোলামকে বললো : “গোসল কারার সরঞ্জাম প্রস্তুত কর, গোসল করার জন্যে হাম্মামের দিকে রওয়ানা হতে হবে।” তারা যাত্রা শুরু করলে পথিমধ্যে একটি মসজিদের সাক্ষাত পেলো। দাস

উপকারী কাজ

Posted by - December 20, 2019

পীর সাহেব তাঁর মুরীদদের জিজ্ঞেস করেন : “তোমরা কি এমন কোন কাজ আঞ্জাম দিয়েছো যা থেকে অন্যেরাও উপকৃত হয়েছে? ” হুজুরের কথা শুনে মুরীদদের মধ্যে একজন বলে উঠলো : “আমি ছিলাম একজন আমির-বাদশাহ্। একবার একটি ভিক্ষুক আমার বাড়িতে সাহায্যের জন্য আসে। আমি আমার বাদশাহী পোশাক ও আংটি পড়িয়ে তাকে আমার সিংহাসনে বসিয়ে দিলাম। আর আমি

জাহান্নামী কে?

Posted by - December 20, 2019

হযরত জা’ফর ইবনে ইউনুস) রহ (:শিবলী নামে ছিলেন সুপরিচিত। তিনি ২৪৭ হিজরীতে জন্মগ্রহন আর ৩৫৫ হিজরীতে চিরস্থায়ী আবাস পানে গমন করেন। হিজরী তৃতীয় ও চতুর্থ শতাব্দিতে এ বিখ্যাত অধ্যাত্মিক সাধক ছিলেন বহুল আলোচিত। তিনি ছিলেন আধ্যাত্মিক জগতের মহাসাধক হযরত জুনাইদে বাগদাদী (রহ:)-এর শিষ্য। তাঁর পরবর্তী সময়ে নামকরা বহু সাধকের গুরু ও ওস্তাদও ছিলেন তিনি।হযরত শিবলী

লজ্জা

Posted by - December 20, 2019

হাবসা (ইথিওপিয়া) অধিবাসী এক ব্যক্তি রাসূলে খোদা (সা.)-এর খেদমতে হাজির হয়ে বললো : “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পাপ অনেক। আমার জন্যেও কি তাওবার দ্বার খোলা আছে?” দয়াল নবী (সা.) বললেন : “হ্যাঁ, তাওবার দরজা সবার জন্যে খোলা। তুমিও তা থেকে উপকৃত হতে পারো।” অতঃপর হাবসী লোকটি সন্তুষ্ট চিত্তে আল্লাহর রাসূলের (সা.) কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নিজ

সূরা “সূরা “আল ক্বামার” সম্পর্কে সামগ্রিক কিছু তথ্য:

Posted by - December 16, 2019

📚✳️ সূরা “আল ক্বামার” সম্পর্কে সামগ্রিক কিছু তথ্য: ✅১। কোরআনের বর্তমান উসমানী মুসহাফ-এর ক্রমিক নম্বর অনুসারে এ সূরাটি চুয়ান্নতম। ✅২। নাযিল হওয়ার ধারাবাহিকতা অনুসারে এ সূরাটি সাইত্রিশ নম্বরে অবস্থিত। ✅৩। নাযিলের স্থানটি হচ্ছে পবিত্র মক্কা নগরী। ✅৪। আয়াতের সংখ্যা ৫৫। ✅৫। এ সূরাটির অভ্যন্তরে অবস্থিত শব্দ সংখ্যা ৩৪২। ✅৬। এ সূরাটির অভ্যন্তরে মোট বর্ণ ব্যবহৃত

আল্লাহ সর্বশক্তিমান

Posted by - December 13, 2019

আল্লাহ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। অসীম ক্ষমতাধর প্রভু তিনি। তিনি যা ইচ্ছা করতে পারেন। তাঁর ক্ষমতার পরিমাপ করা সম্ভব নয় কারো পক্ষে। তিনি পরম পরাক্রমশালী। অপারগতা তাঁর সত্তা থেকে বহুদূরে। সকল কিছুই তাঁর জন্যে সম্ভব। তবে বস্তুর গুণগত অপারগতা ও সসীমতার কারণে সে বস্তুর বাস্তব অস্তিত্বের অনুপস্থিতি আল্লাহর অপারগতা প্রমাণ করে না। যেমন ধরুন,কেউ যদি বলে,আল্লাহ

প্রেমের খেলা

Posted by - December 10, 2019

হযরত ইব্রাহিম (আঃ) বসে বসে তার দুম্বাগুলোর ঘাস খাওয়া দেখছিলেন। তার এই শত শত দুম্বা এই পাহাড়ী এলাকার দৃশ্যকে আরো বেশী মনোরম করে তুলছিলো। তার আশে পাশে ছোট-বড় পাহাড়, টিলা ও পাহাড়ী জঙ্গল সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান। ইব্রাহিম (আঃ) কি চিন্তা করছিলেন? তিনি কি মনে মনে তার দুম্বার সংখ্যা গণনা করছিলেন? নাকি সৃষ্টিকর্তার বিস্ময়কর সৃষ্টি নিয়ে ধ্যানমগ্ন

স্বাধীনতা বনাম পরাধীনতা

Posted by - December 6, 2019

যারা বিশ্বাস করেন,‘মানুষের সকল ভাল-মন্দ কাজের মূলে আল্লাহর শক্তিমত্তা কাজ করছে এবং সকল কিছুর স্রষ্টাও তিনি’-তারা তাদের বক্তব্যের স্বপক্ষে কোরআনের নিম্নোক্ত আয়াতদ্বয় পেশ করে থাকেন। আল্লাহ্ বলেন, إِنَّ اللَّـهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ অর্থাৎ,নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল কিছুর উপর শক্তিমান।(আল বাকারা,আ : নং ১০৯) তিনি আরো বলেন, (هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا) অর্থাৎ,তিনি

তক্বদীরে বিশ্বাস

Posted by - December 6, 2019

তক্বদীরে বিশ্বাস স্থাপন করা আমাদের সকলের জন্যে অবশ্য কর্তব্য। বিবেক প্রসূত বিষয়াদির অন্যতম এটি। কিন্তু তক্বদীরের ব্যাপারে বিভ্রান্তমূলক ব্যাখ্যা আমাদের সমাজে বহুল প্রচলিত। তন্মধ্যে একটি হলো,“আমাদের কপালে যা লিখা আছে তাই হবে।” আবার অনেকে বলেন,“গরীব-ধনী,সৎ-অসৎ হওয়া ইত্যাদি সব কিছু প্রথম থেকেই তক্বদীরে লিপিবদ্ধ আছে,তাই আমাদের করার কিছু নেই।” উপরোক্ত ভ্রান্ত ধারণা-বিশ্বাস একজন মানুষকে সকল প্রকার

নাহ্জুল বালাগ্বা থেকে আল্লাহর পরিচয়

Posted by - December 6, 2019

আল্লাহর অস্তিত্বের বিষয়ে হযরত আলী বিন আবি তালিবের একটি বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য। বিষয়ের গুরুত্বের কারণে নাহ্জুল বালাগ্বা গ্রন্থে সংকলিত উক্ত বক্তব্যের প্রয়োজনীয় অংশটুকু হুবহু পাঠক সমাজের সামনে তুলে ধরা হলো : “সমস্ত প্রশংসা আর গৌরব আল্লাহর-যাঁর গুণ ও গুরুত্ব কোন যুগের কোন বাগ্মীই বর্ণনা করে শেষ করতে পারবে না। যাঁর করুণা আর বদান্যতার হিসাব করতে সর্বযুগের