সূরা আল-ইখলাস

Posted by - August 15, 2019

সূরা “আল ইখলাস”-এর অনুবাদঃ (আমি) আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যিনি রাহমান (পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে), যিনি রাহিম (অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে। (হে মুহাম্মাদ!) বলো, তিনিই আল্লাহ, একক (সত্ত্বা)।(১) (যে) আল্লাহ, (সকল কিছু থেকে) অভাবমুক্ত।(২) তিঁনি (কাউকে) জন্ম দেননি এবং (নিজেও) জন্ম হননি (৩) তাই, কেউ তাঁর সমকক্ষ নয়। (৪)

সূরা আন-নাস

Posted by - August 15, 2019

সূরা “আন নাস”-এর অনুবাদঃ (আমি) আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যিনি রাহমান (পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে), যিনি রাহিম (অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে)। (হে নবী!) বলো! আমি জনগণের পালনকর্তার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি,(১) যিনি মানব জাতির অধিপতি,(২) যিনি মানব জাতির উপাস্য,(৩) আর (আশ্রয় প্রার্থনা করছি) লুকিয়ে থাকা কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে।(৪) যে মানুষের বুকে কুমন্ত্রণা

দ্বীনের ফুরু (শাখা-প্রশাখা) বা ফরজ স্তম্ভ

Posted by - August 15, 2019

দ্বীনের ফুরু (শাখা-প্রশাখা) বা বাধ্যতামূলক ফরজ স্তম্ভ ১০টি। নামাজ, রোজা, খুমস, যাকাত, হজ্ব, জিহাদ, আমর বিল মা’রুফ (সৎ কাজের আদেশ), নাহি আনিল মুনকার (অসৎ কাজের নিষেধ), তাওয়াল্লা (যে কোন ভাল ব্যক্তি ও বিষয়ের প্রতি ভালবাসা), তাবাররা (যে কোন খারাপ ব্যক্তি ও বিষয়ের প্রতি ঘৃণা)। ১. ফরজ নামায– নামায  বা সালাত ইসলামের উপাসনা কর্ম। প্রতিদিন ৫

গুরুত্বপূর্ণ কিছু মাসআলা

Posted by - August 15, 2019

মাসআলা নং ১ আসল কারণ না জেনে, ঘটনার পর্যাপ্ত প্রমাণাদি না নিয়ে, নিশ্চিত না হয়ে কারো পিছনে কোন মন্তব্য করা হারাম কাজ। এতে সেই মুসলমান দাবি না ছাড়লে ক্বিয়ামতের দিন গিবতকারীর পরিণাম হবে জাহান্নাম।   মাসআলা নং ২ এমন কোন কথা ও কাজ যা মুসলমানদের মধ্যে ইসলাম ও ইমামতের ব্যাপারে হতাশা সৃষ্টি করে, তা বলা

সূরা আল-মাসাদ

Posted by - August 15, 2019

সূরা “আল মাসাদ”- এর অনুবাদঃ (আমি) আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যিনি রাহমান (পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে), যিনি রাহিম (অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে। আবু লাহাবের (শক্তিময়) দুই হাত-ই কাঁটা যাক আর সে ধ্বংস হোক।(১) তার উপার্জিত কোন ধন সম্পদই তার কোন কাজে আসেনি।(২) (জেনো রাখো!) অচিরেই সে (জাহান্নামের) লেলিহান শিখাযুক্ত আগুনে প্রবেশ করবে

সূরা আন-নাসর

Posted by - August 15, 2019

সূরা “আন নাসর”-এর অনুবাদঃ (আমি) আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যিনি রাহমান (পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে), যিনি রাহিম (অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে। যখন আল্লাহর সাহায্য ও (মক্কার মুশরিকদের উপর) বিজয় এসেছিল (১) তখন (হে নবী!) তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখেছিলে। (২) আর এ কারণে, তুমি তোমার প্রতিপালকের প্রশংসা করে

সূরা আল-কাফিরুন-এর বঙ্গানুবাদ

Posted by - August 15, 2019

(আমি) আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যিনি রাহমান (পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে), যিনি রাহিম (অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে)।   (হে রাসূল! তুমি স্পষ্ট) বলে দাও! হে কাফেররা!(১)   আমি তার ইবাদত করি না যার ইবাদত তোমরা করছো(২)   এবং তোমরাও তাঁর ইবাদতকারী নও যাঁর ইবাদত আমি করে থাকি(৩)   আর আমিও তার ইবাদতকারী

৫০টি কবিরা গুনাহ্

Posted by - August 15, 2019

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। গুনাহ্ দুই ভাগে বিভক্ত। ছোট ছোট গুনাহকে বলা হয় সগীরা গুনাহ। আর বড় বড় গুনাহকে বলে কবীরা গুনাহ। ছোট গুনাহ্ ইচ্ছাকৃতভাবে করলে আল্লাহর অবাধ্যতা করা হয়। এতে তাওবা(আর গুনাহ্ না করার অঙ্গীকার) ছাড়া আল্লাহ্ ক্ষমা করবেন না। কিন্তু কবীরা গুনাহর কারণে মানুষ ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যায়। বারযাখে কঠিন শাস্তি হয়। কোন

মাযহাবের প্রসঙ্গ

Posted by - August 15, 2019

নবী করিম (সাঃ) এর ইন্তেকালের পর প্রায় দুই শতাব্দী পর্যন্ত কোন মাঝহাবের অস্তিত্ব ছিল না। কেননা হযরত আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরী সনে এবং মৃত্যু ১৫০ হিঃ তে সংঘটিত হয়। হযরত মালিক বিন আনাস (ইমাম মালিক) ৯৫ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৭৫ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। হযরত মুহাম্মাদ বিন ইদ্রিস শাফেয়ী ১৫০ হিজরীতে জন্মগ্রহণ আর ২০৪