গুরুত্বপূর্ণ কিছু মাসআলা

Posted by - August 15, 2019

মাসআলা নং ১ আসল কারণ না জেনে, ঘটনার পর্যাপ্ত প্রমাণাদি না নিয়ে, নিশ্চিত না হয়ে কারো পিছনে কোন মন্তব্য করা হারাম কাজ। এতে সেই মুসলমান দাবি না ছাড়লে ক্বিয়ামতের দিন গিবতকারীর পরিণাম হবে জাহান্নাম।   মাসআলা নং ২ এমন কোন কথা ও কাজ যা মুসলমানদের মধ্যে ইসলাম ও ইমামতের ব্যাপারে হতাশা সৃষ্টি করে, তা বলা

সূরা আল-মাসাদ

Posted by - August 15, 2019

সূরা “আল মাসাদ”- এর অনুবাদঃ (আমি) আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যিনি রাহমান (পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে), যিনি রাহিম (অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে। আবু লাহাবের (শক্তিময়) দুই হাত-ই কাঁটা যাক আর সে ধ্বংস হোক।(১) তার উপার্জিত কোন ধন সম্পদই তার কোন কাজে আসেনি।(২) (জেনো রাখো!) অচিরেই সে (জাহান্নামের) লেলিহান শিখাযুক্ত আগুনে প্রবেশ করবে

সূরা আন-নাসর

Posted by - August 15, 2019

সূরা “আন নাসর”-এর অনুবাদঃ (আমি) আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যিনি রাহমান (পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে), যিনি রাহিম (অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে। যখন আল্লাহর সাহায্য ও (মক্কার মুশরিকদের উপর) বিজয় এসেছিল (১) তখন (হে নবী!) তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখেছিলে। (২) আর এ কারণে, তুমি তোমার প্রতিপালকের প্রশংসা করে

সূরা আল-কাফিরুন-এর বঙ্গানুবাদ

Posted by - August 15, 2019

(আমি) আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যিনি রাহমান (পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে), যিনি রাহিম (অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে)।   (হে রাসূল! তুমি স্পষ্ট) বলে দাও! হে কাফেররা!(১)   আমি তার ইবাদত করি না যার ইবাদত তোমরা করছো(২)   এবং তোমরাও তাঁর ইবাদতকারী নও যাঁর ইবাদত আমি করে থাকি(৩)   আর আমিও তার ইবাদতকারী

৫০টি কবিরা গুনাহ্

Posted by - August 15, 2019

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। গুনাহ্ দুই ভাগে বিভক্ত। ছোট ছোট গুনাহকে বলা হয় সগীরা গুনাহ। আর বড় বড় গুনাহকে বলে কবীরা গুনাহ। ছোট গুনাহ্ ইচ্ছাকৃতভাবে করলে আল্লাহর অবাধ্যতা করা হয়। এতে তাওবা(আর গুনাহ্ না করার অঙ্গীকার) ছাড়া আল্লাহ্ ক্ষমা করবেন না। কিন্তু কবীরা গুনাহর কারণে মানুষ ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যায়। বারযাখে কঠিন শাস্তি হয়। কোন

মাযহাবের প্রসঙ্গ

Posted by - August 15, 2019

নবী করিম (সাঃ) এর ইন্তেকালের পর প্রায় দুই শতাব্দী পর্যন্ত কোন মাঝহাবের অস্তিত্ব ছিল না। কেননা হযরত আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরী সনে এবং মৃত্যু ১৫০ হিঃ তে সংঘটিত হয়। হযরত মালিক বিন আনাস (ইমাম মালিক) ৯৫ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৭৫ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। হযরত মুহাম্মাদ বিন ইদ্রিস শাফেয়ী ১৫০ হিজরীতে জন্মগ্রহণ আর ২০৪

মদিনা লুণ্ঠন

Posted by - August 15, 2019

ইয়াযিদের নির্দেশে ও তার জল্লাদ সেনাবাহিনীর হাতে মদীনা নগরী আক্রমন, লুন্ঠন ও মদীনাবাসীদের নিধন এবং মদীনার কয়েক হাজার নারীকে ধর্ষন, যার ফলে হাজার হাজার জারয সন্তান জন্মলাভ করে, তার ইতিহাস নিচের সুন্নী ঐতিহাসিক গ্রন্থগুলোতে পাওয়া যায়ঃ   ১। আল কামেল ফিত তারিখ, ইবনে আসির(৫৫৫- ৬৩০ হি.), খন্ড ৪, পৃ. ১১২, ১১৭, ১১৮, ১২০।   ২।

নবীর (সাঃ) স্ত্রীগণ

Posted by - August 15, 2019

হযরত মুহাম্মাদ (সা.) পঁচিশ বৎসর বয়স পর্যন্ত অবিবাহিত ছিলেন এবং সেই বৎসরেই হযরত খাদিজা বিনতে খুওয়াইলাদ-কে বিয়ে করেন। পঞ্চান্ন বৎসর পর্যন্ত তাঁর একজন স্ত্রীর অধিক ছিল না। আল্লাহর হাবিব, হযরত খাদিজার ওফাতের পর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক কারণে আরো এগার জনকে বিয়ে করেন। তাদের নাম নিচে দেয়া হলো: ১। সুদা বিনতে যামআ’ ইবনে

আক্কিকা

Posted by - August 14, 2019

আক্কিকা হচ্ছে, শিশুর জন্মের সপ্তম দিনে সকল বালা-মুসিবত থেকে তার হেফাজতের জন্যে এমন পশু জবেহ করা যার মধ্যে কুরবানির পশুর শর্তসমূহ বিদ্যমান থাকবে। এটি একটি মুস্তাহাব কাজ। আক্বিকার গোশ্ত রান্না করে মুমিনদেরকে আপ্যায়ন করানো মুস্তাহাব কাজ। কুরবানি থেকে শুরু করে সকল কাজের দায়িত্ব শিশুর অভিভাবকের উপর অর্পিত হবে। যদি শিশুর অভিভাবক কোন কারণে সপ্তম দিনে

মুবাহিলার আয়াত

Posted by - August 14, 2019

•✦✨ ‎بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ‎ ✨✦•‎ فَمَنْ حَاجَّكَ فِيهِ مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ فَقُلْ تَعَالَوْا نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ وَنِسَاءَنَا وَنِسَاءَكُمْ وَأَنْفُسَنَا وَأَنْفُسَكُمْ ثُمَّ نَبْتَهِلْ فَنَجْعَلْ لَعْنَةَ اللَّهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ. উচ্চারণঃ “ফামান্ হা-জ্ জ্বাকা ফীহি মিম্ বা’দি মা- জ্বা – আকা মিনাল্ ‘ইল্মি ফাক্বুল্তা আ’ -লাও নাদ্উ’ আব্ না- আনা ওয়া আব্ না- আকুম্ ওয়া নিসা-