খ‌রি‌দে কারবালা !!

Posted by - September 7, 2019

ও‌হে , বনু আসাদ ! কি‌নতে চাই মোর সমা‌ধির চৌহ‌দ্দি ‌দে‌বে কি আমায় ? ষাট হাজার দিরহা‌মের কেনা দা‌মে সাজা‌বো কারবালা র‌ঙিন বে‌শে, ‌যেন তেন রঙ নয় , টকট‌কে তাজা র‌ক্তের লাল রঙে! আ‌মি কি‌নি‌বো তাহা, দে‌বে কি আমায়? সিক্ত যে কর‌বো কারবালা!!   ক‌হি‌লো বনু আসাদ , এ‌কি কথা আঁকা ! শু‌নে‌ছি সেই ক‌বে

হুসাইন(আ:) কে? (পর্ব-৫)

Posted by - September 7, 2019

হুসাইন(আ:) কে? (পর্ব-৫) – নূরে আলম মুহাম্মাদী। হুসাইন(আ:) কে? তা কি জানো? তাহলে বলি শোন। হুসাইন!!! যে নবী মুহাম্মাদের(সা.) মহব্বতে সৃষ্টি হলো সমগ্র জাহান, সেই নবীর মহব্বতে পৃথিবী হর হামেশা করে হুসাইনের গুণগান। এ সেই হুসাইন!!! সৃষ্টি জগত যাঁর ত্যাগের মহিমায় চলে অনু পরমানু যাঁর প্রশংসা করে দিবা-রাত্রি যাঁর বদৌলতে ঘোরে। আকাশ বাতাস যাঁর শোকে

দরুদ ও সালাম প্রসঙ্গে আল্লাহর কালাম

Posted by - September 7, 2019

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। لَقَدْ جَاءكُمْ رَسُولٌ مِّنْ أَنفُسِكُمْ عَزِيزٌ عَلَيْهِ مَا عَنِتُّمْ حَرِيصٌ عَلَيْكُم بِالْمُؤْمِنِينَ رَؤُوفٌ رَّحِيمٌ আরবি উচ্চারণঃ লাক্বাদ জা-আকুম রাসুলুম মিন আনফুসিকুম আ’যীযুন আ’লাইহি মা আ’নিত্তুম হারিসুন আ’লাইকুম বিল মু’মিনীনা রউফুর রাহীম”। ✍ বাংলা অনুবাদঃ তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রসূল। তোমাদের দুঃখ-কষ্ট তার পক্ষে দুঃসহ। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময়। [সুরা

হুসাইন(আ:) কে? (পর্ব-৪)

Posted by - September 7, 2019

হুসাইন(আ:) কে? (পর্ব-৪) – নূরে আলম মুহাম্মাদী। হুসাইন(আ:) কে? তা কি জানো? তাহলে বলি শোন। হুসাইন!!! হুসাইন(আ:), হাসানের(আ.) সহোদর ভাই, যারা নবীজীর(সা.) কোলে নিয়েছিলেন ঠাই। হাসান ও হুসাইনকে দিয়েছেন নবী বেহেশতীদের সর্দার করে, খোদ দয়াল নবী যেখানে আছেন বেহেশতের সদস্য হয়ে। হুসাইন!!! খোদায়ী সকল বিষয়ের তারকা যে তিনি, তাই তো, হুসাইনের গালে, গলায়, ঠোটে চুমু

পূর্ণতা

Posted by - September 7, 2019

একটি অসম্পূর্ণ ইতিহাসের কথা বলবো আজ যাকে পূর্ণতা দেয়ার প্রয়াসে অগনিত প্রান বলিদান দেয়া হয়েছে ত্যাগের উপর ত্যাগের অবাধ্য ঢেউ এসে যেখানে একটি শক্তিশালি ভূমির ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে। হ্যাঁ! আমি কারবালারই কথা বলছি! যে জমিনকে উর্বর করা হয়েছিলো রক্তের সঞ্চালনে বিরামহীন অশ্রুপাতের স্রোত ধারায় যাকে বলিষ্ঠ করা হয়েছিলো আর শক্তি দেয়া হয়েছিলো প্রান উজাড়

ইমাম হুসাইন (আঃ) হতে বর্ণিত-

Posted by - September 7, 2019

✅ইমাম হুসাইন(আ.): “জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছুতে তোমাদের কোন মূল্য হয় না। সুতরাং জান্নাত ছাড়া অন্য কিছুর মোকাবিলায় নিজেকে বিক্রি করে দিও না। যে ব্যক্তি দুনিয়া পেয়েই সন্তুষ্ট হয়ে যায় সে সর্বনিকৃষ্ট জিনিষ নিয়েই সন্তুষ্ট হয়।” (বালাগ্বাতুল হুসাইন, পৃঃ নং ৩০৮)। ✅ইমাম হুসাইন (আ.): “হক্বের অনুসরণ ব্যতীত আক্বলের পরিপূর্ণতা আসে না।” (বালাগ্বাতুল হুসাইন, পৃঃ নং ৩০৭)।

স্মৃতিতে মহররম

Posted by - September 6, 2019

স্মৃতিতে মহররম – আশিক পারভেজ মিনার   মহররম নিয়ে লিখতে বসেছি কি লিখবো মহররম নিয়ে আমার কলম স্থির, স্তব্ধ, নির্বাক।   বার বার আমার স্মৃতির ঘোড়া ছুটে যায় কারবালার প্রান্তরে ঐ যে ইমাম হুসাইন বসে আছেন তাবুর ভিতরে বেদনার্ত নয়নে ঐ যে দেখা যায় এযিদের বাহিনী শোনা যায় হুংকার আহবান যুদ্ধের।   কাসেম তৈরী, গায়ে

আযর কি হযরত ইবরাহীমের পিতা ছি‌লেন?

Posted by - September 6, 2019

বিসমিল্লা‌হির রাহমা‌নির রা‌হিম আল্লাহ তায়ালা সৃ‌ষ্টির এই দু‌নিয়া‌তে তাঁর প্র‌তি‌নি‌ধি স্বরুপ মানব জা‌তি‌কে সৃ‌ষ্টি ক‌রে‌ছেন আশরাফুল মাখলুকাত তথা সৃ‌ষ্টির সেরা জীব হি‌সে‌বে।দি‌য়ে‌ছেন প্রবল বু‌দ্ধিমত্তাসহ খোদায়ি সিফাত। বাত‌লে দি‌য়ে‌ছেন জীবন বিধানের সব রকম পাথেয়। তারপরও যু‌গে যুগে সে জীবন বিধা‌নের প্র‌তি বৃদ্ধাঙ্গু‌লি প্রদর্শন পূর্বক নিজ খেয়াল ও মানব  সৃ‌জিত কর্মপন্থায় ব্যাপৃত হ‌য়ে ধর্মীয় আদেশ ও হুকুম আহকাম

সুস্থ থাকার ছয়টি সুত্রঃ

Posted by - September 6, 2019

🔴সুস্থ থাকার ছয়টি সুত্রঃ 🔺খাবারে থাকবে লবন কম < সির্কা থাকবে বেশী। 🔺খাবারের লোকমা ছোট হবে < চাবাতে হবে বেশীক্ষণ। 🔺দশ্চিন্তা কম< পরিমানমত ঘুম। 🔺রাগ কম < হাসি-খুশী বেশী। 🔺গোশ্ত খাওয়া কম< সবজী খাওয়া বেশী। 🔺অলসতা কম < হাঁটা-চলা বেশী। 🌹হযরত আমিরুল মু’মিনিন ইমাম আলী ইবনে আবি তালিব আলাইহিমাস সালামঃ ✍️[যে ব্যক্তি খাবার খেতে ইচ্ছুক

হুসাইন (আঃ) কে? (পর্ব-৩)

Posted by - September 6, 2019

হুসাইন(আ:) কে? (পর্ব-৩) – নূরে আলম মুহাম্মাদী। হুসাইন(আ:) কে? তা কি জানো? তাহলে বলি শোন। হুসাইনের নাম খোদ আল্লাহ রেখেছেন, হুসাইন থেকে খোদ রাসূল(সা.) হয়েছেন। অবাক হচ্ছো তুমি!!! রাসূলের হাদিস জানি, বলেছেন তিনিঃ “আমা থেকে হুসাইন আর হুসাইন থেকে হয়েছি আমি।” “ওয়া আনা মিন হুসাইন হুসাইনুন মিন্নী।” হুসাইন না দিলে জীবন, রেসালতের শত্রুরা শেষ করে