সন্তান লাভের তদবির
✔”সূরা আলে ইমরান-এর ৩৭ নং আয়াত এবং ✔সূরা আল্ আন্বিয়া-এর ৮৯ নং আয়াত নামাজের সিজদাতে পাঠ করুন। 🤲আল্লাহ অতি দ্রুত আপনাকে নেক সন্তান দান করবেন।” 📚জামালুল উসবুয়’, পৃঃ নং ৪৪০।
✔”সূরা আলে ইমরান-এর ৩৭ নং আয়াত এবং ✔সূরা আল্ আন্বিয়া-এর ৮৯ নং আয়াত নামাজের সিজদাতে পাঠ করুন। 🤲আল্লাহ অতি দ্রুত আপনাকে নেক সন্তান দান করবেন।” 📚জামালুল উসবুয়’, পৃঃ নং ৪৪০।
৬৪ হিজরির ১৪ই রবিউল আউয়াল জালিম ও খোদাদ্রোহী শাসক ইয়াযিদ ইবনে মুয়াবিয়া মারা যায়। (আল্লাহর অনন্ত অভিশাপ তার ওপর বর্ষিত হোক) ইয়াযিদ তার তিন বছর নয় মাসের অবৈধ শাসনামলে অন্তত: তিনটি মহাপাপ ও অপরাধযজ্ঞের জন্য ইসলামের ইতিহাসে সবচেয়ে কুখ্যাত ও ঘৃণিত ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই তিনটি মহাপাপের মধ্যে প্রথমটি হল ৬১ হিজরিতে কারবালায় বিশ্বনবী (সা.)-এর
🔴সাইয়িদুশ্ শুহাদা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালামের মর্মান্তিক শাহাদাতের দুই বৎসর পর পবিত্র মদিনা নগরীতে হাররার ঘটনাটি ঘটে। সেদিনগুলো ছিল হিজরী তেষট্টি সনের যিলহজ্ব মাসের শেষের তিন দিন রোজ বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার।🔴 📚ইবনে ক্বুতাইবা; আল ইমামাতু ওয়াস সিয়াসাহ, খণ্ড ১, পৃঃ নং ১৮৫; বালাযুরী; আনসাবুল আশরাফ, খণ্ড ৪, অধ্যায় ২, পৃঃ নং ৪১; তারিখ
🔊হাকেম নিশাবুরী ও মুহাম্মাদ ইবনে সা’দ বর্ণনা করেছেন যে, হযরত মুহাম্মাদ (সা.) হযরত আলীকে বলেছেনঃ «انَّ اوَّلَ مَنْ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ انَا وَ انْتَ وَ فاطِمَةُ وَ الْحَسَنُ وَ الْحُسَيْنُ “(জেনে রাখো!) সর্বপ্রথম যারা বেহেশ্তে প্রবেশ করবে তারা হচ্ছে আমি, তুমি, ফাতিমা, হাসান ও হুসাইন।” قالَ عَلِىٌّ: فَمُحِبُّونا؟ قالَ: مِنْ وَرَائِکُمْ» ✍ হযরত
(আমি) আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যিনি রাহমান [=পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে], যিনি রাহিম [=অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে]। তার [=নবীর সাথে আলাপরত ব্যক্তিটির] চেহারার মধ্যে রিবক্তিভাব ফুটে উঠলো এবং (আগন্তুকের কাছ থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিলো,(১) যেহেতু তাঁর [=নবীর] নিকট এক অন্ধ আগমন করেছিল।(২) (হে নবী!) তুমি কি জানো যে, সে
অনেকে ইমাম হুসাইনের শাহাদাতের পেছনে কুফার শীয়াদেরকে দায়ী করছেন। একথা ছোটবেলা থেকে আমিও শুনে এসেছি। কিন্তু যখন ইতিহাস গভীরভাবে ও নিরপেক্ষ মাইন্ড থেকে অধ্যয়ন করেছি তখন এর সত্যতা খুব কমই খুজে পেয়েছি। আসলে তৎকালীন সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, যারা চিঠি লিখেছিল তারা ছিল বিভিন্ন কিসিমের মুসলমান। তাদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন
আশুরার দিনে ইয়াযিদ (লানাতুল্লাহি আলাহি) ও ইয়াযিদী (লানাতুল্লাহি আলাহি) বাহিনী, রাসূলের পবিত্র আহলে বাইত ও তাঁদের খাস অনুসারীদেরকে নির্মমভাবে খুন করার পর দয়াল ইমাম সাইয়্যেদুশ শুহাদা হুসাইন ইবনে আলী(আ:)-এর দেহ মুবারক ঘোড়ার খুড়ে পিষ্ট ও ছিন্ন ভিন্ন করে দেয়। অতঃপর সকল শহীদানের পবিত্র মাথাগুলো বর্শার আগায় বিদ্ধ করে আহলে বাইতের পরিবারের বেঁচে যাওয়া নারী ও
ঐতিহাসিক ১২ ই মহররম। ৬১ হিজরির এই দিনে ইয়াজিদ সেনারা কারবালা থেকে নবী পরিবারের সদস্য হযরত ইমাম জাইনুল আবেদিনসহ এই মহান পরিবারের অন্য অনেক সদস্য এবং ইমাম শিবিরের সকল নারী ও কন্যা শিশুকে বন্দী করে কুফায় নিয়ে যায়। এ সময় ইয়াজিদ সেনারা শহীদদের বিচ্ছিন্ন মাথা বর্শায় বিদ্ধ করে নিয়ে আসে তাদের সঙ্গে। এ ছাড়াও কারবালার
পর্ব~১ অভিযোগ ও অনুযোগের স্পৃহার দগ্ধতায় ভেসে চলেছি সেই কবে, লালে লাল মরুর লালিমা হতে। মম মর্মে বিধুর বাষ্পে চরম যন্ত্রনার বৃক্ষ হয়ে জেগে জেগে খুঁচিয়ে তাড়িয়ে বেড়ায় আমায় । হে মাওলায়ে মাওলা ! হে রাজাধিরাজ ! হে মহাপ্রভূ !! সীমাহীন ক্ষমতার সমীসীন হে খোদা ! আমায় রক্ষা কর । মন কুঞ্জের সীমাহীন
আজো সদা জাগ্রত তুমি চির আকাশের নীল, ঐ নীলিমায় ছুঁয়ে আছো জানি সদা জাগ্রত হে বীর! দিন যায় মাস আসে , আসে বছর শেষে যুগ, শতাব্দীর ক্রান্তি শেষেও কভূ ফুরায় না সে অমোঘ। ধরাধামের তব স্পৃহার স্ফুলিঙ্গে নাচিছে যে অবিরাম, গাইবে জানি গাইবে তক কিয়ামত সে সবিরাম। ধূলোস্মৃতি মনে জাগিছে কত নাদান মিথ্যে পালকের